Skip to content

গর্ভাবস্থা ও মাতৃত্ব

গর্ভাবস্থা প্রতিটি মায়ের জন্য আলাদা অভিজ্ঞতা। শরীর ও মনে নানা পরিবর্তন আসে, আর সঠিক তথ্য থাকলে এই সময়টা অনেক স্বস্তিতে কাটানো যায়। নিয়মিত প্রসবপূর্ব চেকআপ (অ্যান্টিনেটাল কেয়ার) এই যাত্রার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ; বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা গর্ভকালীন সময়ে অন্তত আটবার স্বাস্থ্যকর্মীর সাথে যোগাযোগের পরামর্শ দেয়।

ত্রৈমাসিক অনুযায়ী পরামর্শ

প্রথম ত্রৈমাসিক (১–১২ সপ্তাহ)

এ সময় বমি ভাব, ক্লান্তি ও ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া স্বাভাবিক। অল্প অল্প করে বারবার খান এবং প্রচুর পানি পান করুন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ফলিক অ্যাসিড শুরু করুন এবং প্রথম চেকআপ করিয়ে নিন। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ খাবেন না।

দ্বিতীয় ত্রৈমাসিক (১৩–২৭ সপ্তাহ)

অনেক মা এ সময় শক্তি ফিরে পান। শিশুর নড়াচড়া টের পাওয়া শুরু হয়। হালকা হাঁটাহাঁটি চালিয়ে যান, আয়রন ও ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট নিয়ম মেনে নিন এবং চিকিৎসকের পরামর্শে আলট্রাসনোগ্রাম করান। পাশ ফিরে শোয়ার অভ্যাস করুন; প্রেগন্যান্সি পিলো এতে আরাম দেয়।

তৃতীয় ত্রৈমাসিক (২৮–৪০ সপ্তাহ)

পেট বড় হওয়ায় ঘুমে অসুবিধা, পিঠে ব্যথা ও পা ফোলা হতে পারে। প্রতিদিন শিশুর নড়াচড়া খেয়াল করুন। প্রসবের স্থান, যাতায়াত ও রক্তদাতার ব্যবস্থা আগেই ঠিক করে রাখুন এবং হাসপাতালের ব্যাগ গুছিয়ে ফেলুন।

গর্ভকালীন পুষ্টি

সতর্কতার লক্ষণ

হাসপাতাল ব্যাগের চেকলিস্ট

আপনার সম্ভাব্য প্রসবের তারিখ জেনে নিন।

ডিউ ডেট ক্যালকুলেটর

আরামদায়ক ঘুমের জন্য প্রেগন্যান্সি পিলো দেখুন।

প্রেগন্যান্সি পিলো