প্রতিটি পরিবারের গল্প আলাদা, তবু অনেক অনুভূতি আমাদের সবার এক। এখানে আমাদের কমিউনিটির কয়েকজন অভিভাবক তাদের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করেছেন, যাতে নতুন বাবা-মায়েরা একটু সাহস ও ভরসা পান।
রুমানা, মিরপুর
আমার মেয়ের জন্মের পর প্রথম দুই সপ্তাহ বুকের দুধ খাওয়াতে খুব কষ্ট হচ্ছিল। মনে হচ্ছিল আমি পারছি না। হাসপাতালের একজন নার্স আমাকে সঠিকভাবে ধরার পদ্ধতি দেখিয়ে দিলেন, আর আমার মা পাশে বসে সাহস দিতেন। ধীরে ধীরে সব সহজ হয়ে এলো। নতুন মায়েদের বলব, প্রথম দিকে কষ্ট হলে হাল ছাড়বেন না, সাহায্য চাইবেন।
তানভীর, চট্টগ্রাম
আমি ভাবতাম বাবার কাজ শুধু বাইরে থেকে সংসার চালানো। ছেলে হওয়ার পর রাতে ওকে কোলে নিয়ে হাঁটতে হাঁটতে বুঝলাম, এই সময়টাই আসল সম্পদ। এখন প্রতিদিন সন্ধ্যায় ওকে গোসল করানো আমার দায়িত্ব। অফিস থেকে ফিরে ওর হাসিটা দেখলে সব ক্লান্তি চলে যায়।
নাসরিন, সিলেট
আমার যমজ দুই ছেলে। শুরুতে মনে হতো দিনে চব্বিশ ঘণ্টা যথেষ্ট নয়। একটা খাতায় কে কখন খেয়েছে আর ঘুমিয়েছে লিখে রাখতে শুরু করলাম, তাতে অনেক সুবিধা হলো। পরিবারের সবাই মিলে কাজ ভাগ করে নিয়েছি। এখন ওরা তিন বছরের, দুজনে মিলে গল্পের বই পড়ার বায়না ধরে।
ফারহানা, রাজশাহী
কর্মজীবী মা হিসেবে মাতৃত্বকালীন ছুটি শেষে অফিসে ফেরাটা খুব কঠিন ছিল। অপরাধবোধ হতো। আগে থেকে বুকের দুধ সংরক্ষণ করা শিখে নিয়েছিলাম, আর শাশুড়ি মা মেয়েকে দেখাশোনা করতেন। বুঝেছি, ভালো মা হতে সারাদিন পাশে থাকতে হয় না; যতটুকু সময় একসাথে থাকি, মন দিয়ে থাকাটাই জরুরি।
আপনার গল্পও শোনাতে পারেন
আপনার অভিজ্ঞতা হয়তো অন্য কোনো বাবা-মাকে সাহস দেবে। আপনার গল্প আমাদের পাঠান; নির্বাচিত গল্প আপনার অনুমতি সাপেক্ষে শুধু প্রথম নাম ও এলাকা দিয়ে প্রকাশ করা হবে।
আপনার অভিজ্ঞতা আমাদের সাথে ভাগ করুন।
আপনার গল্প পাঠান